বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা শিক্ষার্থীদের কাছে কিছু দেশ বরাবরই বেশি জনপ্রিয়। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণার সুযোগ, স্কলারশিপ, এবং পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ—এই সব মিলিয়ে নিচে শিক্ষার্থীদের কাছে বিদেশে পড়াশোনার জন্য জনপ্রিয় পাঁচটি দেশ তুলে ধরা হলো।
১. কানাডা- কানাডা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করে এবং টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে সহনীয়। পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ রয়েছে এবং পড়াশোনা শেষে Post-Graduation Work Permit (PGWP) এর মাধ্যমে কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়া কানাডার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা শিক্ষার্থী-বান্ধব হওয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও তৈরি হয়।
২. অস্ট্রেলিয়া- অস্ট্রেলিয়া উচ্চমানের শিক্ষা, আধুনিক ক্যাম্পাস ও বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশের জন্য পরিচিত। এখানে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় পার্ট-টাইম কাজ করতে পারে, যা পড়াশোনার খরচ মেটাতে সহায়ক। অস্ট্রেলিয়ার ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এবং গ্র্যাজুয়েশন শেষে Temporary Graduate Visa (subclass 485) এর মাধ্যমে কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।
৩. যুক্তরাজ্য (UK)- স্বল্প মেয়াদের কোর্স, বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। এখানে ব্যাচেলর ডিগ্রি সাধারণত ৩ বছরে এবং মাস্টার্স ১ বছরে সম্পন্ন করা যায়। পড়াশোনা শেষে Graduate Route Visa এর মাধ্যমে দুই বছর পর্যন্ত কাজের সুযোগ রয়েছে।
৪. যুক্তরাষ্ট্র (USA)- যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে বিশ্বের সর্বাধিক র্যাঙ্কিংপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণার বিস্তৃত সুযোগ। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্কলারশিপ, টিচিং ও রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মাধ্যমে খরচ কমাতে পারে। পড়াশোনা শেষে OPT (Optional Practical Training) প্রোগ্রামের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়, যা STEM বিষয়ে আরও দীর্ঘ হতে পারে।
৫. জার্মানি- জার্মানি স্বল্প খরচে বা টিউশন ফি ছাড়া উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক কোর্সে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা যায়। দেশটি প্রযুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় অগ্রগামী এবং পড়াশোনা শেষে কাজ ও স্থায়ী বসবাসের ভালো সুযোগ রয়েছে।








